Madhyamik 2025 Life Science Question Paper Solved [PDF] | মাধ্যমিক ২০২৫ জীবনবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রের সমাধান [PDF]

Share This Awesome Post 😊

মাধ্যমিক ২০২৫ পরীক্ষার জীবন বিজ্ঞান বিষয়ে যারা সঠিক ও নির্ভরযোগ্য উত্তর খুঁজছো, তাদের জন্য এই পোস্টে রইল Madhyamik 2025 Life Science Question Paper Solved [PDF] সম্পূর্ণভাবে। মাধ্যমিক 2025 জীবন বিজ্ঞান প্রশ্নের সম্পূর্ণ সমাধান এখানে তৈরি করা হয়েছে বোর্ডের মার্কিং স্কিম মাথায় রেখে, যাতে তোমরা বুঝতে পারো কোন প্রশ্নের উত্তর কীভাবে সাজিয়ে লিখলে পূর্ণ নম্বর পাওয়া যায়। প্রতিটি অধ্যায় থেকে আসা প্রশ্নের উত্তর ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করে দেওয়া হয়েছে, যাতে তোমরা পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, কঠিন টপিক এবং গুরুত্বপূর্ণ চ্যাপ্টারগুলো সম্পর্কেও স্পষ্ট ধারণা পাও। পরবর্তী মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য গত বছরের প্রশ্নপত্র সমাধান করা তোমাদের সবচেয়ে কার্যকরী অভ্যাসগুলোর একটি, আর এই পোস্ট সেই প্রস্তুতিকেই আরও মজবুত করবে।

তোমরা যদি Madhyamik Life Science Question Paper 2025 with Answers একসঙ্গে পেতে চাও, তাহলে এই পোস্ট তোমাদের জন্যই তৈরি। এখানে প্রতিটি প্রশ্নের ব্যাখ্যা সহজ ভাষায় ধাপে ধাপে দেওয়া হয়েছে, যাতে তোমরা শুধু উত্তর মুখস্থ না করে কনসেপ্টও ভালোভাবে বুঝতে পারো। এই পেজ থেকে সম্পূর্ণ প্রশ্নপত্রের সমাধান PDF আকারেও পেয়ে যাবে, যা অফলাইনে পড়াশোনার জন্য বিশেষভাবে সহায়ক হবে। জীবন বিজ্ঞান প্রশ্নপত্র ভালোভাবে অনুশীলন করলে খাতায় নম্বর বাড়ানোর পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে তোমাদের আত্মবিশ্বাসও অনেকটা বেড়ে যাবে।

WhatsApp Channel
WhatsApp Channel (মাধ্যমিক) Join Now
Telegram Channel
Telegram Channel (মাধ্যমিক) Join Now
YouTube Channel
YouTube Channel (মাধ্যমিক) Subscribe

Madhyamik Life Science Question Paper 2025 with Answers | Madhyamik 2025 Life Science Question Paper Solved

(ক) CH₄

(খ) H₂S

(গ) NH₃

(ঘ) H₂

উত্তরঃ (খ) H2S

(ক) খাদ্যের উৎস মৌচাক থেকে 100 মিটারের বেশি হলে ওয়াগেল নৃত্য দেখা যায়

(খ) ওয়াগেল নৃত্য ইংরাজি ‘ 8 ‘ সংখ্যার ন্যায়

(গ ) ওয়াগেল নৃত্যে পর্যায়ক্রমে মৌমাছি একবার ঘড়ির কাঁটার দিকে এবং পরের বার বিপরীত দিকে ঘুরতে থাকে

(ঘ) ওয়াগেল নৃত্যটির অভিমুখ নিম্নগামী হলে খাদ্যের উৎস সূর্যের বিপরীত দিকে থাকে ।

(ক) বহিরাগত প্রজাতির অনুপ্রবেশ – মৌরলা মাছ

(খ) দূষণ – একশৃঙ্গ গন্ডার

(গ) চোড়াশিকার – শকুন

(ঘ) বিশ্ব উষ্ণায়ন এবং জলবায়ুর পরিবর্তন –আরশোলা

(ক) পচা পাতা

(খ) ক্লোরিনযুক্ত কীটনাশক

(গ) জীবজন্তর মলমূত্র

(ঘ) কাগজ

(ক) রাইজোবিয়াম

(খ) সিউডোমোনাস

(গ ) নাইট্রোসোমোনাস

(ঘ) নাইট্রোব্যাক্টর

উত্তরঃ (খ) সিউডোমোনাস

ইতর পরাগযোগে বাহকের প্রয়োজন হয়

ইতর পরাগযোগের ফলের উৎপন্ন অপত্য উদ্ভিদে নতুন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের আবির্ভাব ঘটে

ইতর পরাগযোগ বাহক নির্ভরশীল না হওয়ায় পরাগরেণুর অপচয় কম হয়

ইতর পরাগযোগ বাহক নির্ভরশীল হওয়ায় পরাগরেণুর অপচয় বেশি হয়

(ক) 3

(খ) 1

(গ) 4

(ঘ) 2

(ক) 100%

(খ) 0%

(গ) 50 %

(ঘ) 75 %

(ক) 2:1

(খ) 1:2

(গ) 2 : 2

(ঘ) 1 : 4

(ক) Tt × Tt

(খ) TT × Tt

(গ) TT × Tt

(ঘ) Tt × tt

(ক ) মানুষের হাত ও ঘোড়ার অগ্রপদ

(খ) পাখির ডানা ও তিমির ফ্লিপার

(গ ) পাখির ডানা ও পতঙ্গের ডানা

(ঘ) ঘোড়ার অগ্রপদ ও তিমির ফ্লিপার

(ক) গ্রাহক → বহির্বাহি স্নায়ু → কারক → স্নায়ুকেন্দ্র → অন্তর্বাহী স্নায়ু

(খ) গ্রাহক → স্নায়ুকেন্দ্র → অন্তর্বাহী স্নায়ু → বহির্বাহি স্নায়ু → কারক

(গ ) গ্রাহক → অন্তর্বাহী স্নায়ু → স্নায়ুকেন্দ্র → বহির্বাহি স্নায়ু → কারক

(ঘ) গ্রাহক → কারক → স্নায়ুকেন্দ্র → অন্তর্বাহী স্নায়ু → বহির্বাহি স্নায়ু

(ক) থাইরক্সিন দেহের বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।

(খ) প্রোজেস্টেরন গর্ভাবস্থায় জরায়ুর বৃদ্ধি, অমরার গঠন ও সন্তান প্রসব নিয়ন্ত্রণ করে

(গ) ইনসুলিন প্লাইকোজেনেসিসের হার বাড়ায়

(ঘ) অ্যাড্রেনালিন হার্দ-উৎপাদ হ্রাস করে

(ক) কর্নিয়া , অ্যাকুয়াস হিউমর , লেন্স , ভিট্রিইয়াস হিউমর

(খ) স্ক্লেরা , কোরয়েড , আইরিশ , রেটিনা

(গ) কর্নিয়া , কোরয়েড , লেন্স , রেটিনা

(ঘ) অ্যাকুয়াস হিউমর , আইরিস , ভিট্রিয়াস হিউমর , কোরয়েড

(ক) I , IV

(খ) II , III

(গ) II , IV

(ঘ) III , IV

(ক ) A ≡ T

(খ) G = C

(গ) A – T

(ঘ) G ≡ C

হাইপোথ্যালামাস , পনস্‌ , মেডালা অবলংগাটা , সেরিবেলাম

উত্তরঃ হাইপোথ্যালামাস

উত্তরঃসোয়ান কোশের কাজ হল মায়োলিন আবরণ তৈরি করা এবং নিউরোনে দ্রুত উদ্দীপনা পরিবহণে সাহায্য করা ।

খন্ডীভবন : স্পাইরোগাইরা : : কোরকদ্‌গম : __

উত্তরঃ yyRR

উত্তরঃ  XcXc

উত্তরঃ অতিরিক্ত বংশবৃদ্ধি বা অত্যধিক হারে জনন

দ্বীপভূমির নিমজ্জন , লবণাম্বু উদ্ভিদ ধ্বংস , সুন্দরবনের পরিবেশগত সমস্যা , খাদ্য ও খাদকের সংখ্যার ভারসাম্য ব্যাঘাত ।

উত্তরঃ সুন্দরবনের পরিবেশগত সমস্যা

উত্তরঃ JFM এর মূল ভূমিকা স্থানীয় অধিবাসীদের অংশগ্রহণে বনভূমি সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র রক্ষা ও ব্যবস্থাপনা করা এবং বনজ সম্পদের ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা।

উত্তরঃ

২.৯ – ঙ

২.১০ – ঘ

২.১১ – ছ

২.১২ – খ

২.১৩ – ক

২.১৪ – গ

উত্তরঃ সত্য

উত্তরঃ সত্য

উত্তরঃমিথ্যা

২.১৮ ইকুয়াসের অগ্রপদে চারটি ও পশ্চাৎপদে তিনটি আঙ্গুল উপস্থিত ছিল ।

উত্তরঃ মিথ্যা

উত্তরঃসত্য

উত্তরঃসত্য

উত্তরঃ ৪৩

উত্তরঃ টেলোমিয়ার

উত্তরঃ BBRR, BBRr, BbRR, BbRr

উত্তরঃ জাতিজনি

উত্তরঃ লোম

উত্তরঃ চামড়া, শিং, দাঁত, হাড়, লোম ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রয় করে অর্থ উপার্জন করা।

উত্তরঃ

বিষয়ইউট্রোফিকেশনবায়োম্যাগনিফিকেশন
কারণজলাশয়ে অতিরিক্ত নাইট্রোজেন ও ফসফরাসযুক্ত সার/বর্জ্য মিশে শৈবালের অতিবৃদ্ধি ঘটায়অজৈব-অভঙ্গুর ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ (যেমন DDT) খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে ক্রমশ ঘনীভূত হয়
ফলাফলজলে দ্রবীভূত অক্সিজেনের অভাব ঘটে, ফলে জলজ প্রাণীর মৃত্যু ঘটেউচ্চ পুষ্টিস্তরের প্রাণীদেহে বিষাক্ত পদার্থের ঘনত্ব সর্বাধিক হয়ে তাদের ক্ষতি করে

উত্তরঃ

I. মাটির উর্বরতা হ্রাস পায়, ফলে ফসলের উৎপাদন কমে যায়।

II. উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও প্রোটিন সংশ্লেষণ ব্যাহত হয়।

III. বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং জীববৈচিত্র্য হ্রাস পায়।

IV. জলাশয়ে নাইট্রোজেন যৌগের আধিক্যে ইউট্রোফিকেশন (শৈবালের অতিবৃদ্ধি) দেখা দিতে পারে।

উত্তরঃ

হটস্পটবিপন্ন জীবের উদাহরণ
ইন্দোবার্মারেড পান্ডা, হুলুক গিবন, এক-শৃঙ্গ গণ্ডার
সুন্দাল্যান্ডওরাংওটাং, সুমাত্রার বাঘ,

উত্তরঃ অম্লতা বৃদ্ধি পেলে প্রবাল প্রাচীর ও ঝিনুকের ক্যালসিয়াম কার্বনেট কঙ্কাল ক্ষয়প্রাপ্ত হয় (কোরাল ব্লিচিং) এবং
তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে সামুদ্রিক প্রাণীর প্রজনন চক্র ব্যাহত করে এবং বহু প্রজাতির বাসস্থান ধ্বংস করে জীববৈচিত্র্য হ্রাস করে।

উত্তরঃ RRYY × rryy ক্রস — F2 জনুতে জিনোটাইপিক অনুপাত 2 যাদের

F1: RrYy (স্বপরাগযোগে F2 উৎপন্ন), F2 জিনোটাইপিক অনুপাত ৯টি শ্রেণিতে বিভক্ত (1:2:1:2:4:2:1:2:1)। যেসব জিনোটাইপের অনুপাত 2:

জিনোটাইপঅনুপাত
RRYy2
RrYY2
Rryy2
rrYy2

উত্তরঃ

১. আন্তঃপ্রজাতিক সংগ্রাম—পেঁচা ও কাঠবিড়ালি একই কোটরের জন্য প্রতিযোগিতা করে।
২. অন্তঃপ্রজাতিক সংগ্রাম—দুটি কাঠঠোকরা একই বাসাস্থানের জন্য লড়াই করে।

উত্তরঃ উটের RBC ডিম্বাকার (Oval) হওয়ায় জলশূন্য অবস্থায়ও সহজে ফেটে যায় না এবং পুনরায় জল গ্রহণ করলে স্বাভাবিক আকারে ফিরে আসে। তাই উট দীর্ঘদিন জল ছাড়াই বেঁচে থাকতে পারে।

উত্তরঃ

I.ইওহিপ্পাস: অগ্রপদে ৪টি ও পশ্চাৎপদে ৩টি আঙুল

II. মেসোহিপ্পাস: উভয় পদে ৩টি করে আঙুল

III.মেরিকহিপ্পাস: ৩টি আঙুলের মধ্যে মধ্যম আঙুলটি প্রধান

IV. ইকুয়াস (আধুনিক ঘোড়া): একটিমাত্র কার্যকরী আঙুল (খুর), বাকিগুলি লুপ্ত

উত্তরঃ

দশাসংশ্লেষিত বস্তু
G1RNA, প্রোটিন, রাইবোজোম, কোশীয় অঙ্গাণু
G2টিউবিউলিন প্রোটিন (স্পিন্ডল গঠনের জন্য), শক্তি উৎপাদনকারী অণু (ATP)

উত্তরঃ

কোরকদ্‌গম (Budding): মাতৃকোশের গা থেকে একটি ছোট স্ফীতি বা কোরক সৃষ্টি হয়ে ক্রমশ বৃদ্ধি পায় এবং পরিণত হয়ে মাতৃদেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নতুন অপত্য জীবে পরিণত হয় (যেমন—ইষ্ট, হাইড্রা)

পুনরুৎপাদন (Regeneration): দেহের বিচ্ছিন্ন অংশ থেকে সম্পূর্ণ নতুন জীব সৃষ্টি হওয়ার প্রক্রিয়া (যেমন—প্লানেরিয়া, তারামাছ)

উত্তরঃ

১.জিনের কার্যক্ষমতা হ্রাস পায় বা জিন নিষ্ক্রিয় হয়ে যায় (যেহেতু হেটেরোক্রোমাটিন ঘনসন্নিবদ্ধ ও ট্রান্সক্রিপশনগতভাবে নিষ্ক্রিয়)
২. RNA ও প্রোটিন সংশ্লেষণ হ্রাস পায় (যেহেতু ট্রান্সক্রিপশন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়)
৩. কোশ বিভাজনের হার হ্রাস পেতে পারে এবং কোশচক্রে বিলম্ব ঘটতে পারে

উত্তরঃ

জিনোটাইপ: কোনো জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্য নির্ধারণকারী জিনগত গঠন বা জিন-বিন্যাসকে জিনোটাইপ বলে (যেমন—TT, Tt)

সংকরায়ণ: দুটি বিপরীত বা ভিন্ন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন বিশুদ্ধ জিনোটাইপযুক্ত জীবের মধ্যে যৌন জননের মাধ্যমে নতুন বৈশিষ্ট্যযুক্ত অপত্য উৎপাদনের প্রক্রিয়াকে সংকরায়ণ বলে

উত্তরঃ মাতা (বাহক) = XᴴXʰ
পিতা (স্বাভাবিক) = XᴴY

ক্রসঃ

XᴴY
XᴴXᴴXᴴXᴴY
XᴴXʰXʰY

পুত্রদের মধ্যে ৫০% (১/২) হিমোফিলিয়াগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা।

উত্তরঃ

১. কোশ বিভাজন ও কোশ দীর্ঘীভবনে সাহায্য করে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ঘটায়

২. অ্যাপিক্যাল ডমিন্যান্স বজায় রাখে (পার্শ্ব মুকুলের বৃদ্ধি রোধ করে শীর্ষমুকুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে)

৩. শিকড় গঠনে সাহায্য করে (adventitious root বা অস্থানিক মূল সৃষ্টিতে সহায়তা করে)

উত্তরঃ রাস্তায় হাঁটার সময় চোখ দিয়ে গাড়ি বা বাধা দেখে (গ্রাহক অঙ্গ) সেই উদ্দীপনা অন্তর্বাহী স্নায়ু দ্বারা মস্তিষ্কে পৌঁছায়, মস্তিষ্ক তা বিশ্লেষণ করে বহির্বাহী স্নায়ুর মাধ্যমে পায়ের পেশিতে (কারক অঙ্গ) নির্দেশ পাঠায়, ফলে ব্যক্তি থেমে যান বা পথ পরিবর্তন করে নিরাপদে চলাচল করেন — এটিই উপযোজন প্রক্রিয়া।

উত্তরঃ হাইপোথ্যালামাস: শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে (থার্মোরেগুলেশন), যেমন গরমে ঘাম নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করা।
সুষুম্নাশীর্ষক (Medulla oblongata): শ্বাসক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে (respiratory centre), যা সারাদিন অবচেতনভাবে চলতে থাকে।

উত্তরঃ স্নায়ুকোশ (নিউরোন): স্নায়ুতন্ত্রের গঠনগত ও কার্যগত একক, যার মধ্যে কোশদেহ, ডেনড্রাইট ও অ্যাক্সন থাকে।

স্নায়ুতন্তু (নার্ভ ফাইবার): নিউরোনের অ্যাক্সন অংশটিকেই স্নায়ুতন্তু বলে, যা উদ্দীপনা বহন করে।

স্নায়ু (নার্ভ): বহুসংখ্যক স্নায়ুতন্তু একত্রে যোজক কলা দ্বারা আবদ্ধ হয়ে একটি বান্ডিল বা রজ্জু গঠন করলে তাকে স্নায়ু বলে

তাই স্নায়ুকোশ → স্নায়ুতন্তু → স্নায়ু।

উত্তরঃ

অক্ষিগোলকের লম্বচ্ছেদের
অক্ষিগোলকের লম্বচ্ছেদের

উত্তরঃ

প্রাণীকোশের মাইটোসিসের অ্যানাফেজ দশার একটি বিজ্ঞানসম্মত চিত্র
প্রাণীকোশের মাইটোসিসের অ্যানাফেজ দশার একটি বিজ্ঞানসম্মত চিত্র

উত্তরঃ ডারউইনের প্রাকৃতিক নির্বাচনবাদ — পর্যবেক্ষণ থেকে প্রাপ্ত তিনটি সিদ্ধান্ত

ক্রমপর্যবেক্ষণসিদ্ধান্ত
জীবেরা তাদের ধারণক্ষমতার তুলনায় জ্যামিতিক হারে অতিরিক্ত সংখ্যক অপত্য উৎপন্ন করে, কিন্তু খাদ্য ও স্থান সীমিত থাকায় সকল অপত্য বেঁচে থাকতে পারে নাঅস্তিত্বের সংগ্রাম (Struggle for existence) সৃষ্টি হয়
একই প্রজাতির জীবদের মধ্যে গঠনগত, শারীরবৃত্তীয় ও আচরণগত ক্ষেত্রে পার্থক্য (প্রকরণ) লক্ষ করা যায়, এবং এই প্রকরণগুলি বংশগতভাবে সঞ্চারিত হয়প্রকরণের ফলে কিছু জীব পরিবেশের সঙ্গে অভিযোজনে অন্যদের তুলনায় বেশি সক্ষম হয়
পরিবেশের সঙ্গে অধিক উপযোজিত ও সক্ষম জীবেরাই বেঁচে থাকে এবং প্রজননে সফল হয়, অক্ষম জীবেরা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়যোগ্যতমের উদ্‌বর্তন (Survival of the fittest) ঘটে এবং কালক্রমে সঞ্চিত প্রকরণের মাধ্যমে নতুন প্রজাতির উদ্ভব হয়

শিম্পাঞ্জির খাদ্য সংগ্রহ সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান দক্ষতা:
১. শিম্পাঞ্জি সরঞ্জাম (Tool) ব্যবহার করে খাদ্য সংগ্রহ করতে পারে। যেমন—উইপোকার ঢিবিতে সরু কাঠি ঢুকিয়ে উইপোকা বের করে খায়।

২. প্রয়োজন অনুযায়ী লাঠি, পাথর বা অন্যান্য বস্তু ব্যবহার করে ফল ভাঙা বা খাদ্য সংগ্রহ করে। এটি তাদের উন্নত সমস্যা সমাধান দক্ষতা ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেয়।

উত্তরঃ অভিব্যক্তির মুখ্যঘটনাবলি (Major events in Organic Evolution)

ক্রমসময়কাল (আনুমানিক)মুখ্য ঘটনা
প্রায় ৪৬০ কোটি বছর আগেপৃথিবীর উৎপত্তি ও রাসায়নিক বিবর্তনের মাধ্যমে জৈব অণু (অ্যামাইনো অ্যাসিড, নিউক্লিওটাইড ইত্যাদি) গঠন
প্রায় ৩৫০-৪০০ কোটি বছর আগেআদি এককোশী জীব (প্রোক্যারিওটিক কোশ) ও পরবর্তীতে ইউক্যারিওটিক কোশের উদ্ভব
প্রায় ৫৪ কোটি বছর আগে (ক্যামব্রিয়ান যুগ)বহুকোশী জীবের দ্রুত বিকাশ ও বিভিন্ন পর্বের (Phylum) জীবের আবির্ভাব (ক্যামব্রিয়ান বিস্ফোরণ)
প্রায় ৩৭-৩৮ কোটি বছর আগেজলজ জীব থেকে স্থলচর মেরুদণ্ডী প্রাণীর (উভচর) উদ্ভব
প্রায় ২০ লক্ষ বছর আগেমানুষের অগ্রগণ্য প্রাইমেট থেকে আধুনিক মানুষ (Homo sapiens)-এর ক্রমবিবর্তন

পায়রার উড্ডয়নে বায়ুথলির ভূমিকা

পায়রার দেহে অস্থিগুলির সঙ্গে সংযুক্ত কতগুলি বায়ুপূর্ণ থলি (air sac) থাকে, যা উড্ডয়নে সহায়তা করে—

১. বায়ুথলিগুলি ফুসফুসের সঙ্গে যুক্ত থেকে দ্বিমুখী শ্বাসক্রিয়া (double respiration)-তে সাহায্য করে, ফলে ফুসফুসে সবসময় বিশুদ্ধ অক্সিজেনসমৃদ্ধ বাতাস সরবরাহ হয়, যা উড্ডয়নের সময় অধিক শক্তি উৎপাদনে প্রয়োজনীয়।

২. বায়ুথলিগুলি দেহের অস্থিসমূহকে হালকা ও ফাঁপা (pneumatic bone) করে তোলে এবং দেহের সামগ্রিক ওজন হ্রাস করে, ফলে পায়রার উড্ডয়ন সহজ ও কার্যকর হয়।

উত্তরঃ জিন, DNA ও ক্রোমোজোমের আন্তঃসম্পর্ক

DNA: একটি নিউক্লিক অ্যাসিড অণু, যা নিউক্লিওটাইড দ্বারা গঠিত এবং বংশগতির প্রধান বস্তু হিসেবে কাজ করে।

জিন: DNA অণুর একটি নির্দিষ্ট অংশ বা খণ্ড, যা একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে বা একটি নির্দিষ্ট পলিপেপটাইড/প্রোটিন সংশ্লেষণের নির্দেশ বহন করে।

ক্রোমোজোম: বহুসংখ্যক জিন সমন্বিত DNA অণু হিস্টোন প্রোটিনের সঙ্গে কুণ্ডলীবদ্ধ ও সংঘনিত হয়ে ক্রোমোজোম গঠন করে, যা কোশ বিভাজনকালে দৃশ্যমান হয়।

তাই সম্পর্কটি হল: বহু নিউক্লিওটাইড → DNA গঠন করে → DNA-র নির্দিষ্ট অংশ জিন হিসেবে কাজ করে → বহু জিন সমন্বিত হয়ে ক্রোমোজোম গঠন করে।

অঙ্গজ বংশবিস্তারের সুবিধা
১. অঙ্গজ বংশবিস্তারের মাধ্যমে উৎপন্ন অপত্য উদ্ভিদ মাতৃউদ্ভিদের হুবহু প্রতিরূপ (ক্লোন) হয়, ফলে মাতৃউদ্ভিদের সমস্ত কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য অপরিবর্তিতভাবে বজায় থাকে।

২. বীজবিহীন বা বন্ধ্যা উদ্ভিদ (যেমন—কলা, আঙুরের কিছু জাত) অঙ্গজ বংশবিস্তারের মাধ্যমে সহজে বংশবৃদ্ধি করা যায়, যেখানে যৌন জননের মাধ্যমে তা সম্ভব হয় না।

৩. অঙ্গজ বংশবিস্তার দ্রুত সময়ে অধিক সংখ্যক অপত্য উদ্ভিদ উৎপাদন করা যায় এবং উদ্ভিদ দ্রুত পরিণত (মেচিউর) হয়ে ফুল-ফল দিতে সক্ষম হয়, ফলে কৃষি ও উদ্যানপালনে এটি অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক।


উত্তরঃ মাইক্রোপ্রোপাগেশন হল টিস্যু কালচার পদ্ধতির মাধ্যমে উদ্ভিদের ক্ষুদ্র অংশ (এক্সপ্ল্যান্ট) থেকে অসংখ্য অভিন্ন অপত্য উদ্ভিদ উৎপাদনের কৌশল। এর প্রক্রিয়া—

১. উদ্ভিদের একটি ক্ষুদ্র জীবন্ত অংশ (যেমন—শীর্ষ মুকুল, কক্ষমুকুল বা টিস্যুখণ্ড, যাকে এক্সপ্ল্যান্ট বলে) সংগ্রহ করে জীবাণুমুক্ত করা হয় এবং পুষ্টি উপাদান, হরমোন (অক্সিন, সাইটোকাইনিন) ও আগার সমৃদ্ধ কৃত্রিম মাধ্যমে (কালচার মিডিয়ামে) জীবাণুমুক্ত পরিবেশে (ইন ভিট্রো) স্থাপন করা হয়।

২. উপযুক্ত তাপমাত্রা ও আলোর ব্যবস্থায় এক্সপ্ল্যান্টটি কোশ বিভাজনের মাধ্যমে ক্যালাস (undifferentiated cell mass) গঠন করে, যা থেকে ক্রমান্বয়ে শিকড় ও কাণ্ড সৃষ্টি হয়ে সম্পূর্ণ নতুন উদ্ভিদে পরিণত হয়, যা পরবর্তীতে মাটিতে স্থানান্তরিত করা হয়।

প্রাণীকোশের মাইটোসিসের টেলোফেজ দশায় সংঘটিত ঘটনাসমূহ
১. অ্যানাফেজ দশায় বিপরীত মেরুতে পৌঁছে যাওয়া অপত্য ক্রোমোজোমগুচ্ছের চারিদিকে নতুন নিউক্লিয় পর্দা (nuclear membrane) গঠিত হয়ে দুটি পৃথক অপত্য নিউক্লিয়াস সৃষ্টি হয়।

২. ক্রোমোজোমগুলি ক্রমশ কুণ্ডলীমুক্ত (uncoil) হয়ে সরু ও লম্বা ক্রোমাটিন জালিকায় পরিণত হয় এবং নিউক্লিওলাস পুনরায় আবির্ভূত হয়।

৩. স্পিন্ডল তন্তু অবলুপ্ত হয়ে যায় এবং কোশের কেন্দ্রীয় অংশে ফারো (cleavage furrow) সৃষ্টি হয়ে সাইটোকাইনেসিস শুরু হয়, যার ফলে মাতৃকোশটি ক্রমশ সংকুচিত হয়ে দুটি পৃথক অপত্য কোশে বিভক্ত হয়ে যায়।

উত্তরঃ ক্রায়োসংরক্ষণ হল অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রায় (সাধারণত তরল নাইট্রোজেনে, প্রায় −196°C) জীবের কোশ, টিস্যু, বীজ, গ্যামেট (শুক্রাণু/ডিম্বাণু) বা ভ্রূণকে দীর্ঘকাল সংরক্ষণ করার পদ্ধতি। এর ভূমিকা—
১. বিপন্ন ও দুষ্প্রাপ্য প্রজাতির জিনগত উপাদান (জার্মপ্লাজম) দীর্ঘদিন অবিকৃত অবস্থায় সংরক্ষণ করা যায়, যা ভবিষ্যতে প্রজনন বা গবেষণার কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।

২. প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা বিলুপ্তির ঝুঁকিতে থাকা প্রজাতিকে “জিন ব্যাংক” আকারে সংরক্ষণ করে জীববৈচিত্র্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা যায়।

PBR (People’s Biodiversity Register) থেকে সংরক্ষণ সংক্রান্ত প্রাপ্ত তথ্য

PBR বা জনগণের জীববৈচিত্র্য পঞ্জী হল স্থানীয় স্তরে (গ্রাম পঞ্চায়েত বা পৌরসভা) প্রস্তুত করা একটি নথি, যাতে নিম্নলিখিত তথ্যগুলি লিপিবদ্ধ থাকে—
১. স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের তালিকা: ওই অঞ্চলে প্রাপ্ত উদ্ভিদ ও প্রাণীর প্রজাতির বিস্তারিত তথ্য (বৈজ্ঞানিক নাম, স্থানীয় নাম, প্রাপ্তিস্থান)

২. ঐতিহ্যগত জ্ঞান (Traditional Knowledge): স্থানীয় অধিবাসী ও আদিবাসীদের দ্বারা ব্যবহৃত ভেষজ উদ্ভিদ, ঔষধি গুণাগুণ ও প্রথাগত ব্যবহারবিধি সংক্রান্ত তথ্য

৩. জীববৈচিত্র্যের অবস্থা ও পরিবর্তন: কোন প্রজাতি বিপন্ন, বিরল বা স্থানীয়ভাবে বিলুপ্তপ্রায়, এবং সময়ের সঙ্গে জীববৈচিত্র্যের পরিমাণগত ও গুণগত পরিবর্তনের তথ্য, যা সংরক্ষণ পরিকল্পনা প্রণয়নে সাহায্য করে।

উত্তরঃ

চোরাশিকারের ফলে বিপন্ন প্রাণীর তালিকা

ক্রমপ্রাণীচোরাশিকারের কারণ
একশৃঙ্গ গণ্ডার (Rhinoceros)শিং সংগ্রহের জন্য
বাঘ (Tiger)চামড়া, হাড় ও দেহাংশ সংগ্রহের জন্য
হাতি (Elephant)দাঁত (হাতির দাঁত/আইভরি) সংগ্রহের জন্য
কস্তুরী মৃগ (Musk deer)কস্তুরী (মাস্ক) সংগ্রহের জন্য
পাঙ্গোলিন (Pangolin)আঁশ ও মাংস সংগ্রহের জন্য

পরিবেশগত যেসব কারণে ক্যানসারের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে —
১. বায়ুদূষণ, শিল্পবর্জ্য ও যানবাহনের ধোঁয়ায় উপস্থিত কার্সিনোজেনিক (ক্যানসার সৃষ্টিকারী) রাসায়নিক পদার্থ (যেমন—বেনজোপাইরিন, পলিসাইক্লিক অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন) দেহে প্রবেশ করে কোশের DNA-তে পরিব্যক্তি (mutation) ঘটিয়ে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

২. ওজোন স্তরের ক্ষয়ের ফলে সূর্য থেকে আগত ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি (UV rays) পৃথিবীপৃষ্ঠে অধিক পরিমাণে প্রবেশ করে, যা ত্বকের কোশে ক্যানসার (স্কিন ক্যানসার) সৃষ্টির সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে।

উত্তরঃ মটরগাছের বীজ ও ফুল সংক্রান্ত বৈশিষ্ট্যের প্রকট ও প্রচ্ছন্ন গুণ

ক্রমবৈশিষ্ট্যপ্রকট (Dominant) গুণপ্রচ্ছন্ন (Recessive) গুণ
বীজের আকৃতিগোল (Round)কুঞ্চিত (Wrinkled)
বীজপত্রের বর্ণহলুদ (Yellow)সবুজ (Green)
ফুলের বর্ণবেগুনি/লাল (Violet/Red)সাদা (White)

বাবা-মা উভয়ে স্বাভাবিক হলেও পুত্রসন্তান বর্ণান্ধ হওয়ার কারণ

পিতা (স্বাভাবিক): XCYX^C YXCY
মাতা (স্বাভাবিক বাহক): XCXcX^C X^cXCXc

ক্রস :

Xᴄ (মা)Xᶜ (মা)
Xᴄ (বাবা)XᴄXᴄ (স্বাভাবিক মেয়ে)XᴄXᶜ (বাহক মেয়ে)
Y (বাবা)XᴄY (স্বাভাবিক ছেলে)XᶜY (বর্ণান্ধ ছেলে)

উপসংহার:
মা বাহক (Carrier) হলে, তিনি বর্ণান্ধ না হলেও তাঁর ছেলের ৫০% বর্ণান্ধ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই বাবা-মা উভয়েই স্বাভাবিক হলেও বর্ণান্ধ ছেলে জন্মাতে পারে।

উত্তরঃ সমাজ থেকে বংশগত রোগ দূর করতে জেনেটিক কাউন্সেলিং-এর ভূমিকা–
১. দম্পতির পারিবারিক ইতিহাস বিশ্লেষণ করে এবং প্রয়োজনে জিনগত পরীক্ষা (কারিওটাইপিং, DNA পরীক্ষা) করিয়ে তাদের সন্তানের মধ্যে বংশগত রোগ (যেমন—থ্যালাসেমিয়া, হিমোফিলিয়া) সংক্রমণের সম্ভাবনা সম্পর্কে আগাম ধারণা প্রদান করা হয়, যাতে দম্পতি সচেতনভাবে সন্তান জন্মদানের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

২. বাহক (carrier) ব্যক্তিদের চিহ্নিতকরণ করে এবং তাদের মধ্যে বিবাহ বা সন্তান উৎপাদনের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়ে ক্রমাগত প্রজন্মে বংশগত রোগের বিস্তার হ্রাস করা যায়।

BBRR × bbrr ক্রস — F₂ জনুতে কালো মসৃণ লোমযুক্ত (Black, smooth) ফিনোটাইপের সম্ভাব্য জিনোটাইপ ও অনুপাত

P: BBRR (কালো, অমসৃণ) × bbrr (সাদা, মসৃণ)
F₁: BbRr (কালো, অমসৃণ) — স্বপরাগ/স্বনিষেকের ফলে F₂ উৎপন্ন

F₂ জনুর সম্পূর্ণ ফিনোটাইপিক অনুপাত: ৯ কালো-অমসৃণ : ৩ কালো-মসৃণ : ৩ সাদা-অমসৃণ : ১ সাদা-মসৃণ

কালো মসৃণ (B_rr) ফিনোটাইপের অন্তর্গত জিনোটাইপসমূহ:

ক্রমজিনোটাইপজিনোটাইপিক অনুপাতফিনোটাইপ
BBrr1কালো, মসৃণ
Bbrr2কালো, মসৃণ

সুতরাং BBrr : Bbrr = 1 : 2, এবং মোট ১৬টি সংযোগের মধ্যে এই দুটি জিনোটাইপ মিলিতভাবে ৩টি (কালো-মসৃণ ফিনোটাইপের সমগ্র অনুপাত) গঠন করে।

উত্তরঃপরিবেশ দূষণজনিত রোগের তালিকা

দূষণের ধরনরোগ
বায়ুদূষণহাঁপানি (Asthma), ব্রংকাইটিস
জলদূষণডায়রিয়া, কলেরা
শব্দদূষণশ্রবণশক্তি হ্রাস, অনিদ্রা
তেজস্ক্রিয়/রাসায়নিক দূষণক্যানসার

একটি জাতীয় উদ্যানে বাঘ ও একশৃঙ্গ গণ্ডার সংরক্ষণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইনসিটু ব্যবস্থাসমূহ

১. জাতীয় উদ্যান ও অভয়ারণ্য স্থাপন: বাঘ ও গণ্ডারের স্বাভাবিক বাসস্থান অক্ষুণ্ণ রেখে সেই এলাকাকে সংরক্ষিত অঞ্চল (যেমন—কাজিরাঙা, জলদাপাড়া, সুন্দরবন) হিসেবে ঘোষণা করে তাদের প্রাকৃতিক পরিবেশে নিরাপদে বসবাসের ব্যবস্থা করা হয়।

২. চোরাশিকার প্রতিরোধ ব্যবস্থা: সশস্ত্র বনরক্ষী মোতায়েন, নিয়মিত টহলদারি ও আধুনিক প্রযুক্তি (যেমন—ড্রোন, ক্যামেরা ট্র্যাপ) ব্যবহার করে চোরাশিকারিদের কার্যকলাপ রোধ করা হয়, যা এই দুই প্রাণীর প্রধান বিপন্নতার কারণ (শিং ও চামড়ার জন্য শিকার) প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ।

৩. প্রকল্প টাইগার (Project Tiger) ও অনুরূপ সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়ন: সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট সংরক্ষণ প্রকল্পের মাধ্যমে বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার, শিকার-প্রাণীর (prey base) সংখ্যা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনগণের সচেতনতামূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে বাঘ ও গণ্ডার উভয়ের সংরক্ষণ কার্যকর করা হয়।

উত্তরঃ জীববৈচিত্র্য সংখ্যা হ্রাসের সঙ্গে অতি ব্যবহারের (Overexploitation) সম্পর্ক:

১. একশৃঙ্গ গণ্ডার: শিংয়ের জন্য অতিরিক্ত শিকার (Overexploitation) করায় এদের সংখ্যা দ্রুত কমে গেছে এবং তারা বিপন্ন প্রাণীতে পরিণত হয়েছে।

২. বনরুই (Pangolin): আঁশ ও মাংসের জন্য নির্বিচারে শিকার করায় এদের সংখ্যাও মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে।

৩. মাছের অতিরিক্ত আহরণ (Overfishing): সামুদ্রিক ও নদীর মাছ (যেমন—ইলিশ) চাহিদা মেটাতে অতিরিক্ত পরিমাণে ধরার ফলে মাছের প্রজনন হারের তুলনায় আহরণের হার অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে, ফলে বহু মৎস্য প্রজাতির সংখ্যা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে এবং কিছু প্রজাতি বিপন্নের পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।

৪. ভেষজ উদ্ভিদের অতিরিক্ত আহরণ: ঔষধি গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ (যেমন—সর্পগন্ধা) বাণিজ্যিক ও ঔষধি প্রয়োজনে বনাঞ্চল থেকে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে সংগ্রহ করার ফলে প্রাকৃতিক পুনরুৎপাদনের সুযোগ না পেয়ে এই উদ্ভিদগুলি বিপন্ন বা বিরল প্রজাতিতে পরিণত হচ্ছে।

ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ফলে যে যে সমস্যার সৃষ্টি হয় তার একটি মানস মানচিত্র

মানস মানচিত্র
মানস মানচিত্র


Share This Awesome Post 😊

Leave a Comment