Madhyamik 2022 Life Science Question Paper Solution PDF | মাধ্যমিক ২০২২ জীবন বিজ্ঞান প্রশ্নের সমাধান

Share This Awesome Post 😊

তোমরা যারা মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছ এবং জীবন বিজ্ঞান বিষয়ে ভালো নম্বর পেতে চাও, তাদের জন্য আজকের এই পোস্টে থাকছে Madhyamik 2022 Life Science Question Paper Solution PDF। মাধ্যমিক ২০২২ জীবন বিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর প্র্যাকটিস করলে তোমরা বুঝতে পারবে বোর্ড পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন আসে এবং সেই প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর কীভাবে লিখতে হয়।

এই 2022 Madhyamik Life Science Question Paper Solved PDF-এ প্রতিটি প্রশ্নের বিস্তারিত ও নির্ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, যা তোমাদের পরীক্ষার খাতায় লেখার স্টাইল উন্নত করতে সাহায্য করবে।

শুধু তাই নয়, WBBSE Class 10 Board Exam Previous Year Question Paper PDFWest Bengal Madhyamik 5 Years Question Answer PDF ডাউনলোড করে তোমরা গত কয়েক বছরের প্রশ্নের প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করতে পারবে, যা তোমাদের আসন্ন পরীক্ষার প্রস্তুতিকে আরও মজবুত করে তুলবে। চলো, নিচে থেকে সম্পূর্ণ Complete Solution of Madhyamik 2022 Life Science Question দেখে নেওয়া যাক।

WhatsApp Channel
WhatsApp Channel (মাধ্যমিক) Join Now
Telegram Channel
Telegram Channel (মাধ্যমিক) Join Now
YouTube Channel
YouTube Channel (মাধ্যমিক) Subscribe

Madhyamik 2022 Life Science Question Paper Solution | মাধ্যমিক ২০২২ জীবন বিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর

ক) স্কেরা – অক্ষিগোলকের ভেতরে অতিরিকু আলো শোষণ করে

খ) কোরয়েড অক্ষিগোলককে নির্দিষ্ট আকার দেয়

গ) লেন্স – আলোকের প্রতিসরণ ঘটায় ও উপযোজন সম্পন্ন করে

ঘ) রেটিনা – লেন্সকে সাসপেনসরি লিগামেন্টের সাহায্যে ধরে রাখে

উত্তরঃ গ) লেন্স- আলোকের প্রতিসরণ ঘটায় ও উপযোজন সম্পন্ন করে ।

ক) হৃদস্পন্দনের হার বৃদ্ধি করে ।

খ) বয়ঃসন্ধিকালে শুক্রাণু উৎপাদনে সাহায্য করে

গ) হার্দ উৎপাদ বৃদ্ধি করে

ঘ) সিস্টোলিক রক্তচাপ বৃদ্ধি করে

উত্তরঃ খ) বয়ঃসন্ধিকালে শুক্রাণু উৎপাদনে সাহায্য করে

ক) উদ্দীপকের গতিপথ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নির্দিষ্ট উদ্ভিদ অঙ্গের আবিষ্ট বক্রচলন

খ) এটি একধরনের রসস্ফীতি জনিত চলন

গ) উদ্দীপকের তীব্রতা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত উদ্ভিদ অঙ্গের আবিষ্ট বক্রচলন

ঘ) অক্সিনের প্রভাবে ঘটে না

উত্তরঃ ক) উদ্দীপকের গতিপথ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নির্দিষ্ট উদ্ভিদ অঙ্গের আবিষ্ট বক্রচলন

ক) A -(ii) B -(iii) C -(i)

খ) A – (iii) B-(i) C-(ii)

গ) A-(i) B-(ii) C- (iii)

ঘ) A- (i) B-(iii) C-(ii)

উত্তরঃ খ) A – (iii) B-(i) C-(ii)

ক) গ্রাহক – কারক – সংজ্ঞাবহ স্নায়ু – আজ্ঞাবহ স্নায়ু- স্নায়ুকেন্দ্র

খ) গ্রাহক – স্নায়ুকেন্দ্র – আজ্ঞাবহ স্নায়ু – সংজ্ঞাবহ স্নায়ু – কারক

গ) গ্রাহক – সংজ্ঞাবহ স্নায়ু – স্নায়ুকেন্দ্র – আজ্ঞাবহ স্নায়ু – কারক

ঘ) গ্রাহক – আজ্ঞাবহ স্নায়ু – কারক – সংজ্ঞাবহ স্নায়ু – স্নায়ুকেন্দ্র

উত্তরঃ গ) গ্রাহক – সংজ্ঞাবহ স্নায়ু – স্নায়ুকেন্দ্র – আজ্ঞাবহ স্নায়ু – কারক

ক) টেলোফেজ – অপত্য ক্রোমোজোমের মেরু অভিমুখে গমন

খ) টেলোফেজ – নিউক্লিও পর্দা ও নিওক্লিওলাসের বিলুপ্তি

গ) টেলোফেজ – বেমতন্তু গঠন ]

ঘ) টেলোফেজ – নিওক্লিও পর্দা ও নিউক্লিওলাসের পুনরাবির্ভাব

উত্তরঃ ঘ) টেলোফেজ – নিওক্লিও পর্দা ও নিউক্লিওলাসের পুনরাবির্ভাব

ক) সেন্ট্রোমিয়ার

খ) টেলোমিয়ার

গ) নিউক্লিওলার অর্গানাইজার

ঘ) স্যাটেলাইট

উত্তরঃ খ) টেলোমিয়ার

ক) বাহকের প্রয়োজন হয়

খ) বংশধারায় নতুন বৈশিষ্ট্যের উদ্ভব হয়

গ) প্রজাতির বিশুদ্ধতা বজায় থাকে

ঘ) বীজের অঙ্কুরণ হার বেশি হয়

উত্তরঃ গ) প্রজাতির বিশুদ্ধতা বজায় থাকে

(ক) I, IV (খ) II, III

(গ) III, IV (घ) I, II

উত্তরঃ (খ) II, III

ক) ডিম্বাণুর স্বাভাবিক ক্রোমোজোম বিন্যাস – 22A+XX

খ) ডিম্বাণুর স্বাভাবিক ক্রোমোজোম বিন্যাস -22A+Y

গ) ডিম্বাণুর স্বাভাবিক ক্রোমোজোম বিন্যাস – 22A+X

ঘ) ডিম্বাণুর স্বাভাবিক ক্রোমোজোম বিন্যাস- 22A +XY

উত্তরঃ গ) ডিম্বাণুর স্বাভাবিক ক্রোমোজোম বিন্যাস – 22A+X

ক) BbRr

খ) BBRr

গ) BbRR

ঘ) bbrr

উত্তরঃ ঘ) bbrr

ক) bbRR , bbrr

খ) BBRR , bbrr

গ) bbRR , bbRr

ঘ) BbRr , BbRR

উত্তরঃ গ) bbRR , bbRr

ক) কান্ডের দৈর্ঘ্য – লম্বা , বীজের আকার- গোল

খ) ফুলের অবস্থান শীর্ষ , ফুলের বর্ণ সাদা

গ) বীজপত্রের বর্ণ – সবুজ , বীজের আকার -কুঞ্চিত

ঘ) কান্ডের দৈর্ঘ্য – খর্ব , বীজের আকার -কুঞ্চিত

উত্তরঃ ক) কান্ডের দৈর্ঘ্য – লম্বা , বীজের আকার- গোল

ক) 100% দীর্ঘ

খ) 50% দীর্ঘ , 50% খর্ব

গ) 100% খর্ব

ঘ) 75% দীর্ঘ , 25% খর্ব

উত্তরঃ খ) 50% দীর্ঘ , 50% খর্ব

ক) গয়টার

খ) ম্যালেরিয়া

গ) থ্যালাসেমিয়া

ঘ) যক্ষা

উত্তরঃ গ) থ্যালাসেমিয়া

উত্তরঃ জিব্বেরেলিন

উত্তরঃ অনৈচ্ছিক ।

উত্তরঃ অ্যামাইটসিস ।

উত্তরঃ আম

উত্তরঃ প্রকট

উত্তরঃ হোমোজাইগাস বা হেমিজাইগাস

উত্তরঃ সত্য

উত্তরঃ মিথ্যা

উত্তরঃ সত্য

উত্তরঃ মিথ্যা

উত্তরঃ মিথ্যা

উত্তরঃ সত্য

উত্তরঃ ২.১৩-ঘ , ২.১৪ -গ , ২.১৫ – ঙ , ২.১৬ – খ , ২.১৭ – চ , ২.১৮ – ক

উত্তরঃ ভেগাস স্নায়ু ।

উত্তরঃ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় ।

উত্তরঃ থাইমিন

উত্তরঃ টিউমার সৃষ্টি হবে

উত্তরঃ কোনো চরিত্রের সাপেক্ষে বিপরীত বৈশিষ্ট্য যুক্ত একই প্রজাতির দুটি জীবের মধ্যে যৌন জননকে সংকরায়ণ বলে । যেমন বিশুদ্ধ লম্বা ও বিশুদ্ধ বেঁটে মটর গাছের মিলন ঘটিয়ে সংকর লম্বা মটর গাছ সৃষ্টি করার পদ্ধতি ।

উত্তরঃ একই চরিত্রের অন্তর্গত দুটি বিশুদ্ধ বিপরীত বৈশিষ্ট্যের জীবের মিলন ঘটালে প্রথম অপত্য বংশে (F1 জনুতে ) যে বৈশিষ্ট্যটি প্রকাশ পায় , তাকে প্রকট বৈশিষ্ট্য বলে ।

উদাহরণঃ বিশুদ্ধ বেগুনি ও বিশুদ্ধ সাদা ফুলযুক্ত মটর গাছের পরনিষেক ঘটালে F1 জনুতে সৃষ্ট সকল গাছ বেগুনি ফুল বিশিষ্ট হয় , অর্থাৎ বেগুনি ফুল হওয়ার বৈশিষ্ট্যটি হল প্রকট বৈশিষ্ট্য ।

উত্তরঃ থাইরক্সিন

উত্তরঃ G₂ দশায়।

উত্তরঃ

(i) দীর্ঘ অস্থির প্রান্তস্থিত তরুণাস্থি ধাত্রের খনিজীভবন ঘটিয়ে অস্থির দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি ঘটায় — STH (সোমাটোট্রপিক হরমোন / Growth Hormone)

(ii) বিদীর্ণ ডিম্বথলিকে পীতগ্রন্থি নামক অস্থায়ী অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিতে পরিণত করে এবং ওই গ্রন্থি থেকে প্রজেস্টেরন হরমোন ক্ষরণে প্রয়োজনীয় উদ্দিপনা জোগায় — LH (লিউটিনাইজিং হরমোন)

(iii) যকৃতে প্রোটিন ও লিপিড থেকে গ্লুকোজ উৎপাদনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে — ইনসুলিন হরমোন

(iv) প্রসবকালে জরায়ুগাত্রের পেশির সংকোচন ঘটায় — অক্সিটোসিন হরমোন

উত্তরঃ
মায়োপিয়া – চোখের যে ট্রুটির কারণে নিকটের দৃষ্টি ঠিক থাকলেও দূরের দৃষ্টি ব্যাহত হয় , তাকে মায়োপিয়া বলে । এক্ষেত্রে অক্ষিগোলকের আকার বড় হওয়ায় বা লেন্সের ট্রুটির জন্য দূরবর্তী বস্তু থেকে আগত আলোক রশ্মি রেটিনার সামনে প্রতিবিম্ব গঠন করে । ফলে দূরদৃষ্টি অস্পষ্ট হয় ।
মায়োপিয়া সংশোধনের জন্য অবতল লেন্স (Concave lens) ব্যবহার করা হয়।

হাইপারমেট্রোপিয়া – চোখের যে ট্রুটির জন্য দূরের দৃষ্টি অব্যাহত থাকলেও কাছের দৃষ্টি ব্যাহত হয় , তাকে হাইপারমেট্রোপিয়া বলে । এক্ষেত্রে অক্ষিগোলকের আকার স্বাভাবিকের তুলনায় ছোটো হওয়ার বা লেন্সের ট্রুটির জন্য রেটিনার পশ্চাতে প্রতিবিম্ব গঠিত হয় ।
হাইপারমেট্রোপিয়া সংশোধনের জন্য উত্তল লেন্স (Convex lens) ব্যবহার করা হয়।

উত্তর:

পেশির নামসংকোচনের ফলে
ফ্লেক্সর পেশিদুটি অস্থি পরস্পরের কাছাকাছি আসে (অস্থিসন্ধিতে ভাঁজ সৃষ্টি হয়)
এক্সটেন্সর পেশিভাঁজ হওয়া অস্থি পরস্পরের থেকে দূরে সরে যায় (অস্থিসন্ধি সোজা হয়)
অ্যাবডাক্টর পেশিকোনো অঙ্গ দেহের মধ্যরেখা/অক্ষ থেকে দূরে সরে যায়
রোটেটর পেশিকোনো অঙ্গ দেহের মধ্যবর্তী অক্ষের চারপাশে বৃত্তাকারে ঘুরে আসতে পারে

উত্তরঃ অক্সিন হরমোন উদ্ভিদের নিম্নলিখিত কাজগুলি নিয়ন্ত্রণ করে —

(i) অগ্রস্থ প্রকটতা (Apical dominance) সৃষ্টি ও পার্শ্বীয় মুকুলের বৃদ্ধি রোধ করে ।

(ii) কোশ বিভাজন ও কোশ বৃদ্ধিতে (cell elongation) সাহায্য করে ।

(iii) নিষেকের পর ফলের বৃদ্ধি ও পরিস্ফুটনে (parthenocarpy) সাহায্য করে ।

(iv) মূলের (adventitious/lateral root) সৃষ্টি ও বৃদ্ধিতে সাহায্য করে ।

(v) ফটোট্রপিক ও জিওট্রপিক চলন নিয়ন্ত্রণ করে ।

উত্তরঃ

বৈশিষ্ট্যউদ্ভিদকোশের মাইটোসিসপ্রাণীকোশের মাইটোসিস
I. বেমতন্তু গঠনসেন্ট্রিওল অনুপস্থিত থাকায় সাইটোপ্লাজমের অণুনালিকা (Microtubule)-এর সাহায্যে বেমতন্তু গঠিত হয়।সেন্ট্রিওল থেকে বেমতন্তু গঠিত হয়।
II. সাইটোকাইনেসিস পদ্ধতিফ্র্যাগমোপ্লাস্টের মাধ্যমে কোশপাত (Cell plate) সৃষ্টি হয়ে সাইটোকাইনেসিস সম্পন্ন হয়।কোশের মাঝখানে ক্লিভেজ ফারো (Cleavage furrow) সৃষ্টি হয়ে সাইটোকাইনেসিস সম্পন্ন হয়।

উত্তরঃ পাথরকুচির পাতার কিনারা থেকে অস্থানিক মুকুল জন্মায় । একে পত্রাশয়ী মুকুল বলে । এই পত্রাশ্রয়ী মুকুলের নীচের দিক থেকে আবার অনেক মূল বের হয় । পরে মূলসহ প্রতিট পাতা বিচ্ছিন্ন হয়ে অনুকূল পরিবেশে নতুন উদ্ভিদের জন্ম দেয়।

উত্তরঃ নিউক্লিয়াস বিভাজনের অ্যানাফেজ দশায় ক্রোমোজোমের পরিবর্তনসমূহ —

(i) সেন্ট্রোমিয়ার বিভক্ত হয়ে প্রতিটি ক্রোমোজোম দুটি পৃথক অপত্য ক্রোমোজোমে পরিণত হয় ।

(ii) ক্রোমোজোমীয় তন্তুর সংকোচন ও ইন্টারজোনাল তন্তুর প্রসারণের ফলে অপত্য ক্রোমোজোমগুলি বিপরীত মেরুর দিকে গমন করে। এইরূপ চলনকে অ্যানাফেজীয় চলন বলে ।

(iii) সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুযায়ী গমনকালে ক্রোমোজোমগুলি V, L, J, I আকৃতি ধারণ করে (যথাক্রমে মেটাসেন্ট্রিক, সাবমেটাসেন্ট্রিক, আক্রোসেন্ট্রিক, টেলোসেন্ট্রিক) ।

উত্তরঃ অনুকূল পরিবেশে ইস্ট কোশের গাত্রে একটি ছোটো স্ফীত উপবৃদ্ধি সৃষ্টি হয়, একে কোরক (bud) বলে। মাতৃকোশের নিউক্লিয়াস মাইটোসিস পদ্ধতিতে বিভাজিত হয়ে একটি নিউক্লিয়াস কিছু সাইটোপ্লাজমসহ কোরকে প্রবেশ করে। কোরকটি ক্রমশ পুষ্টি সংগ্রহ করে বৃদ্ধি পায় এবং পরিণত হয়ে মাতৃকোশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীন অপত্য ইস্ট কোশ গঠন করে; অনেক সময় সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন না হয়ে শিকলের মতো (chain) গঠনও তৈরি করতে পারে।

উত্তরঃ

পুরুষদেহে পরিবর্তনঃ
(i) দৈহিক ওজন ও উচ্চতা বৃদ্ধি পায়, পেশি ও অস্থি শক্তিশালী হয় ।

(ii) কণ্ঠস্বর ভারী হয় এবং মুখমণ্ডলে (দাড়ি-গোঁফ) ও শরীরে লোম গজায় ।

(iii) যৌনাঙ্গের পরিপক্বতা ঘটে ও শুক্রাণু উৎপাদন শুরু হয় ।

স্ত্রীদেহে পরিবর্তনঃ
(i) ত্বকের নিচে মেদ সঞ্চিত হয়ে দেহে নমনীয়তা ও শ্রোণীদেশ চওড়া হয় ।

(ii) স্তনগ্রন্থির বৃদ্ধি ঘটে এবং বগল ও যৌনাঙ্গে লোম গজায় ।

(iii) রজঃচক্র (menstruation) শুরু হয় ।

উত্তরঃ

I. প্রজাতির ক্রোমোজোম সংখ্যা ধ্রুবক রাখা :
মিয়োসিসের ফলে জননকোশে (গ্যামেট) ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক (হ্যাপ্লয়েড) হয়ে যায়। পরে নিষেকের সময় দুটি হ্যাপ্লয়েড গ্যামেটের মিলনে ডিপ্লয়েড জাইগোট গঠিত হওয়ায় প্রতিটি প্রজাতির ক্রোমোজোম সংখ্যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধ্রুবক থাকে।

II. জীবের মধ্যে প্রকরণের উৎপত্তি :
মিয়োসিসের সময় ক্রসিং ওভার ও সমসংস্থ ক্রোমোজোমের স্বাধীন বিন্যাস (Independent Assortment)-এর ফলে জিনের নতুন সমন্বয় (রিকম্বিনেশন) সৃষ্টি হয়। এর ফলে অপত্য জীবের মধ্যে নতুন বৈশিষ্ট্য বা প্রকরণ দেখা যায়, যা ক্রমবিবর্তনে সহায়ক।

উত্তরঃ দুই বা তার বেশি বিপরীতধর্মী যুগ্ম বৈশিষ্ট্যের উপাদানগুলি জনিতৃ থেকে অপত্য জনুতে সঞ্চারিত হলেও তারা মিশ্রিত হয় না, বরং জননকোশ গঠনের সময় পরস্পর থেকে স্বাধীনভাবে পৃথক হয়ে সম্ভাব্য সকল সমন্বয়ে জননকোশে সঞ্চারিত হয় — এটিই মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্র বা স্বাধীন বিন্যাস সূত্র (Law of Independent Assortment)। উদাহরণস্বরূপ, দ্বি-সংকর জননে (RrYy × RrYy) F₂ জনুতে ৯:৩:৩:১ অনুপাতে চার প্রকার ফিনোটাইপ উৎপন্ন হওয়াই এই সূত্রের প্রমাণ।

উত্তরঃ

অসম্পূর্ণ প্রকটতার ফিনোটাইপিক ও জিনোটাইপিক অনুপাত
অসম্পূর্ণ প্রকটতার ফিনোটাইপিক ও জিনোটাইপিক অনুপাত

অসম্পূর্ণ প্রকটতায় জিনোটাইপ অনুপাত ও ফিনোটাইপ অনুপাত একই হয় — উভয়ই 1 : 2 : 1 (লাল : গোলাপি : সাদা)। এটি সম্পূর্ণ প্রকটতা (complete dominance)-র থেকে আলাদা, যেখানে জিনোটাইপ অনুপাত 1:2:1 হলেও ফিনোটাইপ অনুপাত হয় 3:1

উত্তরঃ (১) উপযুক্ত পরীক্ষামূলক উদ্ভিদ নির্বাচনঃ মেন্ডেল পরীক্ষার জন্য মটর গাছ (Pisum sativum) নির্বাচন করেছিলেন, যা বিশুদ্ধ জাতের, স্বপরাগী (self-pollinating) এবং প্রয়োজনে সহজে কৃত্রিম পরপরাগযোগ ঘটানো যায় এমন উভলিঙ্গ ফুলবিশিষ্ট — ফলে সংকরায়ণ পরীক্ষা সহজ ও নির্ভুল হয়েছিল ।

(২) স্বল্প জীবনকাল ও দ্রুত ফলাফলঃ মটর গাছ একবর্ষজীবী (annual) হওয়ায় স্বল্প সময়ের মধ্যে একাধিক জনু (F₁, F₂…) ধরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো সম্ভব হয়েছিল, যার ফলে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য উপসংহারে পৌঁছানো গিয়েছিল ।

উত্তরঃ প্রাণীরা প্রজনন ও বংশবিস্তারের জন্য, উপযুক্ত সঙ্গী বা সঙ্গিনী খোঁজার উদ্দেশ্যে এবং নিরাপদ স্থানে অপত্যের জন্মদান ও প্রতিপালনের জন্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে গমন করে। যেমন — স্যামন মাছ প্রজননের জন্য সমুদ্র থেকে মিষ্টি জলের নদীতে ফিরে আসে, এবং অলিভ রিডলি কচ্ছপ ডিম পাড়ার জন্য নির্দিষ্ট সৈকতে বহু দূর পাড়ি দেয়। এর ফলে প্রাণীরা নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রিত থাকে। সুতরাং, বলা যায় গমনের একটি মূল চালিকাশক্তি হল প্রাণীর বিস্তার।

উত্তরঃ

ক্রোমোজোমের রাসায়নিক উপাদান

উত্তরঃ

বিষয়DNARNA
শর্করার প্রকৃতিপাঁচ কার্বনযুক্ত ডি-অক্সিরাইবোজ শর্করাপাঁচ কার্বনযুক্ত রাইবোজ শর্করা
পিরিমিডিন ক্ষারকের প্রকৃতিপিরিমিডিন ক্ষারক হিসেবে সাইটোসিন ও থাইমিন থাকেপিরিমিডিন ক্ষারক হিসেবে সাইটোসিন ও ইউরাসিল থাকে (থাইমিনের পরিবর্তে)

উত্তরঃ
দ্বিসংকর ক্রসে (YyRr × YyRr) F₂ জনুতে ফিনোটাইপিক অনুপাত 9:3:3:1 হলেও জিনোটাইপিক অনুপাত ভিন্ন হয়। যেমন — হলুদ-গোল ফিনোটাইপের অন্তর্গত ৪টি ভিন্ন জিনোটাইপ (YYRR, YYRr, YyRR, YyRr) থাকে, কিন্তু সবুজ-কুঞ্চিত ফিনোটাইপের মাত্র ১টি জিনোটাইপ (yyrr) থাকে। এভাবে দেখা যায়, কোনো ফিনোটাইপের একাধিক আবার কোনো ফিনোটাইপের একটিমাত্র জিনোটাইপ থাকতে পারে।

উত্তরঃ

নিউরোনের বিজ্ঞানসম্মত চিত্র

উত্তরঃ

ইউক্যারিওটিক ক্রোমোজোমের অংগসংস্থানিক গঠনের বিজ্ঞানসম্মত চিত্র
ইউক্যারিওটিক ক্রোমোজোমের অংগসংস্থানিক গঠনের বিজ্ঞানসম্মত চিত্র

উত্তরঃ

ইনসুলিনগ্লুকাগন
• রক্তের অতিরিক্ত গ্লুকোজকে গ্লাইকোজেনে রূপান্তরিত করে।• যকৃতে সঞ্চিত গ্লাইকোজেনকে গ্লুকোজে পরিণত করে।
• রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায়।• রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়ায়।
• কিটোন বডি উৎপাদনে বাধা দেয়।• কিটোন বডি উৎপাদনে সাহায্য করে।
ইস্ট্রোজেনপ্রোজেস্টেরন
• ঋতুচক্রের সময় জরায়ুর প্রাচীরের বৃদ্ধি ঘটায়।• গর্ভাবস্থায় জরায়ুর প্রাচীরকে বজায় রাখে।
• স্ত্রীদেহে গৌণ যৌন বৈশিষ্ট্যের বিকাশ ঘটায়।• গর্ভধারণ ও ভ্রূণের বিকাশে সাহায্য করে।
FSHLH
• মহিলাদের ক্ষেত্রে ডিম্বাশয়ের ফলিকলের বৃদ্ধি ও পরিণতিতে সাহায্য করে।• ডিম্বস্ফোটন ঘটায় এবং কর্পাস লিউটিয়াম গঠনে সাহায্য করে।
• পুরুষদের ক্ষেত্রে শুক্রাণু উৎপাদনে সহায়তা করে।• পুরুষদের ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরন হরমোন ক্ষরণে সাহায্য করে।

পশ্চাৎ মস্তিষ্কের সঙ্গে শ্বাসক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের সম্পর্ক :

পশ্চাৎ মস্তিষ্কের মেডালা অবলংগাটায় অবস্থিত শ্বসন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র (Respiratory Centre) স্বয়ংক্রিয়ভাবে শ্বাসক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। রক্তে CO₂-এর পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে তা এই কেন্দ্রকে উদ্দীপিত করে, ফলে শ্বাসপেশি (মধ্যচ্ছদা ও আন্তঃপঞ্জর পেশি) সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে শ্বাসক্রিয়ার হার ও গভীরতা নিয়ন্ত্রিত হয়। এছাড়া মেডালার নিকটবর্তী পন্স-এ অবস্থিত নিউমোট্যাক্সিক কেন্দ্র শ্বসন কেন্দ্রের কার্যকলাপ সমন্বয় করে শ্বাস-প্রশ্বাসের স্বাভাবিক ছন্দ বজায় রাখতে সাহায্য করে।

উত্তরঃ

শারীরিক কাজসংশ্লিষ্ট মস্তিষ্কের অংশ
বাকশক্তিসেরিব্রাম (ফ্রন্টাল লোবের ব্রোকা’স অঞ্চল/Broca’s area)
ক্ষুধা, তৃষ্ণা ও নিদ্রাহাইপোথ্যালামাস
দেহভঙ্গি ও দেহের ভারসাম্যসেরিবেলাম
জিহ্বা সঞ্চালন ও খাদ্য গলাধঃকরণমেডালা অবলংগাটা

হরমোনের কাজের ফিডব্যাক নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির উদাহরণ — মানুষের মস্তিষ্কে হাইপোথ্যালামাস উত্তেজিত হলে TRH নিঃসৃত করে, যা পিটুইটারি গ্রন্থির অগ্রভাগ থেকে TSH ক্ষরণে প্রয়োজনীয় উদ্দীপনা জোগায়। TSH থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে থাইরক্সিন হরমোন ক্ষরণে প্রয়োজনীয় উদ্দীপনা জোগায়। রক্তে থাইরক্সিনের পরিমাণ একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় পৌঁছালে এটি হাইপোথ্যালামাসের ওপর কাজ করে TRH ক্ষরণ বন্ধ করে দেয়। TRH ক্ষরণ বন্ধ হলে অগ্র পিটুইটারি থেকে TSH আর ক্ষরিত হয় না। TSH-এর অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি উদ্দীপিত হতে না পারায় থাইরক্সিন হরমোনের ক্ষরণও বন্ধ হয়ে যায়। একে নেগেটিভ বা ঋণাত্মক ফিডব্যাক নিয়ন্ত্রণ বলে।

উত্তরঃ

কৃষিকাজ ও উদ্যানবিদ্যায় কৃত্রিম উদ্ভিদ হরমোনের ভূমিকা–

i.আগাছা দমনে 2,4-D-এর মতো কৃত্রিম অক্সিন ব্যবহার করা হয়।

ii.বীজবিহীন (পারথেনোকার্পিক) ফল উৎপাদনে ব্যবহার করা হয়।

iii.ফল ঝরে পড়া রোধ ও ফলের আকার বৃদ্ধি করতে ব্যবহৃত হয়।

iv.কলমে দ্রুত শিকড় গজাতে (IBA, NAA) ব্যবহার করা হয়।

মানবদেহে গ্লুকোজ শোষণ ও বিপাকের ওপর ইনসুলিন হরমোনের প্রভাবসমূহ —

গ্লাইকোজেনেসিস — ইনসুলিন রক্তের অতিরিক্ত গ্লুকোজকে গ্লাইকোজেনেসিস পদ্ধতিতে গ্লাইকোজেনে রূপান্তরিত করে এবং যকৃত ও পেশিতে সঞ্চয় করে।

গ্লুকোজ শোষণ — ইনসুলিন কোশপর্দার মাধ্যমে কোশের মধ্যে গ্লুকোজের শোষণে সাহায্য করে।

গ্লুকোজের জারণ — ইনসুলিন কলাকোশে গ্লুকোজের জারণ ত্বরান্বিত করে পাইরুভিক অ্যাসিড উৎপন্ন করে, ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায়।

নিউগ্লুকোজেনেসিস (গ্লুকোনিওজেনেসিস) রোধ — ইনসুলিন প্রোটিন ও ফ্যাট ইত্যাদি থেকে গ্লুকোজ উৎপাদনে বাধা দেয়।

উত্তরঃ

বিষয়দ্বিনেত্র দৃষ্টি (Binocular vision)একনেত্র দৃষ্টি (Monocular vision)
বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠনউভয় চোখের রেটিনায় পৃথক প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়ে মস্তিষ্কে একটি ত্রিমাত্রিক (3D) প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।একটিমাত্র চোখের রেটিনায় প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয় এবং দ্বিমাত্রিক (2D) প্রতিবিম্ব দেখা যায়।
দৃষ্টিক্ষেত্রদৃষ্টিক্ষেত্র তুলনামূলকভাবে কম (প্রায় 120°)।দৃষ্টিক্ষেত্র তুলনামূলকভাবে বেশি (প্রায় 180° বা তার বেশি)।
গভীরতাবস্তুর গভীরতা ও দূরত্ব সঠিকভাবে নির্ণয় করা যায়।বস্তুর গভীরতা ও দূরত্ব সঠিকভাবে নির্ণয় করা যায় না।
বিষয়সহজাত প্রতিবর্ত ক্রিয়াঅর্জিত প্রতিবর্ত ক্রিয়া
প্রকৃতিজন্মগত ও স্বাভাবিক।অভ্যাস বা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত।
শর্তকোনো বিশেষ শর্তের প্রয়োজন হয় না।নির্দিষ্ট শর্ত ও বারবার অনুশীলনের প্রয়োজন হয়।
পূর্ব অভিজ্ঞতাপূর্ব অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয় না।পূর্ব অভিজ্ঞতা বা শিক্ষা প্রয়োজন হয়।
স্নায়ুপথজন্মগত ও স্থায়ী স্নায়ুপথের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।নতুনভাবে গঠিত ও অস্থায়ী স্নায়ুপথের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

উত্তরঃ

ফার্ণের জনুক্রম
ফার্ণের জনুক্রম

উত্তরঃ সপুষ্পক উদ্ভিদের যৌন জনন পদ্ধতিটি–

উত্তরঃ

বিষয়মাইটোসিস (Mitosis)মিয়োসিস (Meiosis)
সম্পাদনের স্থানদেহকোষে (Somatic cell)জনন মাতৃকোষে (অণ্ডাশয় ও শুক্রাশয়)
ক্রোমোজোম বিভাজনের প্রকৃতিসমসংখ্যক বা সমীকরণমূলক বিভাজন (2n → 2n)হ্রাসমূলক বিভাজন (2n → n)
উৎপন্ন কোশের সংখ্যা২টি অভিন্ন ডিপ্লয়েড (2n) অপত্য কোশ৪টি হ্যাপ্লয়েড (n) অপত্য কোশ

১. ক্রোমোজোম ও ক্রোমাটিডের পৃথকীকরণ

মিয়োসিস-১ এর অ্যানাফেজ পর্যায়ে সমসংস্থ ক্রোমোজোম জোড়া (প্রতিটিতে দুটি করে ক্রোমাটিড যুক্ত থাকে) পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে বিপরীত মেরুর দিকে গমন করে — এখানে ক্রোমাটিড আলাদা হয় না।
এরপর মিয়োসিস-২ এর অ্যানাফেজ পর্যায়ে প্রতিটি ক্রোমোজোমের দুটি বোন ক্রোমাটিড পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে যায় এবং প্রতিটি স্বতন্ত্র ক্রোমোজোম হিসেবে বিপরীত মেরুতে যায় (মাইটোসিসের অ্যানাফেজের মতো)।

২. ক্রসিং-ওভার

মিয়োসিস-১ এর প্রোফেজ পর্যায়ে (প্যাকাইটিন উপ-পর্যায়ে) সমসংস্থ ক্রোমোজোমের নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে খণ্ড বিনিময় ঘটে, একে ক্রসিং-ওভার বলে। এর ফলে জিনগত পুনর্বিন্যাস ঘটে এবং সন্তান প্রজন্মে জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয় — এটি মিয়োসিসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য, যা মাইটোসিসে দেখা যায় না।

উত্তরঃ

বিষয়উদ্ভিদকোশের সাইটোকাইনেসিসপ্রাণীকোশের সাইটোকাইনেসিস
পদ্ধতিকোশপ্লেট বা ‘সেলপ্লেট’ গঠনের মাধ্যমে ঘটে।ফারোয়িং বা ক্লিভেজ পদ্ধতিতে ঘটে।
সূচনার সময়কালটেলোফেজ দশার শেষের দিকে বা সমাপ্ত হলে শুরু হয়।অ্যানাফেজ দশার শেষের দিকে এবং টেলোফেজ দশার প্রথমদিকে শুরু হয়।
গলগি বস্তুর ভূমিকাক্যালশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম পেকটেট (ফ্র্যাগমোপ্লাস্ট দানা) ক্ষরণের মাধ্যমে কোশপ্লেট গঠন করে।এক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা নেই।

জিন, DNA ও ক্রোমোজোমের মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক–

DNA হলো বংশগতির রাসায়নিক পদার্থ।

জিন হলো DNA-এর একটি নির্দিষ্ট অংশ, যা কোনো নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে।

ক্রোমোজোম হলো DNA ও হিস্টোন প্রোটিন দ্বারা গঠিত গঠন, যার উপর অসংখ্য জিন অবস্থান করে।

আন্তঃসম্পর্ক:
ক্রোমোজোম ⟶ DNA ⟶ জিন
অর্থাৎ, ক্রোমোজোম DNA দ্বারা গঠিত এবং DNA-এর নির্দিষ্ট অংশই হলো জিন।

উত্তরঃ

ক্ষেত্রসম্ভাব্য ফলাফল
বাবা বা মায়ের একজন থ্যালাসেমিক (tt) এবং অন্যজন থ্যালাসেমিয়ার জিন বাহক (Tt)৫০% সন্তান থ্যালাসেমিক (tt) এবং ৫০% সন্তান জিন বাহক (Tt) হবে।
বাবা ও মা উভয়ই থ্যালাসেমিয়ার জিন বাহক (Tt × Tt)২৫% সন্তান স্বাভাবিক (TT), ৫০% জিন বাহক (Tt) এবং ২৫% থ্যালাসেমিক (tt) হবে।

থ্যালাসেমিয়ার প্রধান লক্ষণগুলি হলো—

1.রক্তাল্পতা (অ্যানিমিয়া) দেখা দেয়।

2.শরীর দুর্বল ও সহজে ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

3.মুখমণ্ডল ফ্যাকাশে হয়ে যায়।

4.যকৃত (লিভার) ও প্লীহা (স্প্লিন) বড় হয়ে যেতে পারে।

5.বৃদ্ধি ও শারীরিক বিকাশে বিলম্ব ঘটে এবং অনেক ক্ষেত্রে নিয়মিত রক্ত সঞ্চালনের (Blood transfusion) প্রয়োজন হয়।

উত্তরঃ

বৈশিষ্ট্যপ্রকট (Dominant)প্রচ্ছন্ন (Recessive)
বীজের আকৃতিগোলাকার (Round)কুঞ্চিত (Wrinkled)
বীজের রংহলুদ (Yellow)সবুজ (Green)
বীজের বীজপত্রের (Cotyledon) রংহলুদসবুজ

মানুষের ক্ষেত্রে লিঙ্গ-নির্ধারণ পদ্ধতি–

X (বাবা)Y (বাবা)
X (মা)XX (কন্যা)XY (পুত্র)
X (মা)XX (কন্যা)XY (পুত্র)

ফলাফল:

  • ৫০% XX = কন্যা সন্তান
  • ৫০% XY = পুত্র সন্তান

উপসংহার: মানুষের ক্ষেত্রে সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণে বাবার (XY) ভূমিকা প্রধান, কারণ বাবা X বা Y—যেকোনো একটি ক্রোমোজোম প্রদান করতে পারেন, আর মা সর্বদাই X ক্রোমোজোম প্রদান করেন।

উত্তর: যোগকলার কোষগুলি সক্রিয়ভাবে বিভাজিত হয়ে নতুন কোষ সৃষ্টি করে।

উত্তর: মাইটোকন্ড্রিয়া (Mitochondria)।

উত্তর: উদ্ভিদের কচি কাণ্ড ও পাতাকে যান্ত্রিক দৃঢ়তা ও নমনীয়তা প্রদান করে।

উত্তর: শিমুল (Silk cotton)।

উত্তর: অ্যামাইলেজ (Amylase)।

উত্তরঃ
স্নায়ুকোশের দুটি গঠনগত অংশ হল—

  1. কোষদেহ (Cyton বা Cell body)
  2. স্নায়ুতন্তু (Nerve fibre) — যেমন ডেনড্রন (Dendron) ও অ্যাক্সন (Axon)।

উত্তরঃ
উদ্ভিদের নাইট্রোজেনবিহীন দুটি রেচন পদার্থ হল—

  1. রেজিন (Resin)
  2. গাম (Gum)

(অন্যান্য সঠিক উদাহরণ: ল্যাটেক্স, ট্যানিন, অত্যাবশ্যকীয় তেল)

উত্তরঃ
রাইবোজোমের কাজ :

  • প্রোটিন সংশ্লেষ (Protein synthesis) করে।

লাইসোজোমের কাজ :

  • কোষের অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গাণু পরিপাক করে এবং কোষকে পরিষ্কার রাখে।

উত্তরঃ
পশ্চিমবঙ্গের দুটি বিপন্ন প্রাণী হল—

  1. রয়েল বেঙ্গল টাইগার (Royal Bengal Tiger)
  2. গঙ্গার শুশুক (Ganges River Dolphin)

(অন্যান্য গ্রহণযোগ্য উদাহরণ: লাল পান্ডা, একশৃঙ্গ গণ্ডার, চিতা বিড়াল)


Share This Awesome Post 😊

Leave a Comment